____
শিক্ষাক্ষেত্রে প্রায় শত বছরের সাক্ষী ফেনী গিরিশ অক্ষয় একাডেমির ডাইনামিক ওয়েবসাইট ও সফটওয়্যার চালু হচ্ছে বিধায় আমি যারপরনাই আনন্দাভিভূত। এ স্কুলের চলমান শ্রীবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারায় আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি। উন্নয়ন একটি চলমা প্রক্রিয়া। অনাগত ভবিষ্যতেও পরিবর্তনশীল পৃথিবীর সময় উপযোগী শিক্ষাব্যবস্থাপনা যোগান দেয়ার কাজে আমরা কুষ্ঠিত হবো না। এ স্কুলের শিক্ষা ব্যবস্থায় বর্তমান ডিজিটাল প্রযুক্তি সর্বদা হালনাগাদ রাখার জন্য এবং নিয়মিত অনুসরণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করছি। I মহান আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।
মোঃ তাজুল ইসলাম চৌধুরী
ফেনী গিরিশ অক্ষয় একাডেমি বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে শিক্ষাপ্রসারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে। আসছে। এ প্রাচীন বিদ্যাপীঠটি ১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দে ফেনী ইনস্টিটিউশন নামে স্থাপিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৩৩ খ্রিষ্টাব্দে এর প্রতিষ্ঠাতা ও দাতা যথাক্রমে স্বর্গীয় গিরিশ চন্দ্র মালাকার ও অক্ষয় কুমার মজুমদার-এর নামানুসারে ফেনী গিরিশ অক্ষয় একাডেমি নামকরণ করা হয়। প্রতিষ্ঠাকাল থেকে স্কুলটি শিক্ষায় বহুমাত্রিক সুনামের স্বাক্ষর রেখেছে। বর্তমান সরকার শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করছে। তাই পরিপূর্ণ শিক্ষা এখন সময়ের দাবী। আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির যুগ বিবেচনায় শিক্ষায় আনা হয়েছে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন।
ডিজিটাইলেজশন তারই অংশ । এই প্রক্রিয়ার সাথে সংগতিবিধান নিমিত্ত স্কুলে খোলা হচ্ছে ডাইনামিক ওভেবসাইট এবং চালু করা হচ্ছে ডিজিটাল সফটওয়্যার। আশা করি, সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতায় ডিজিটাল ব্যবস্থাপনায় আমাদের প্রিয় স্কুলটি হালনাগাদ থাকবে এবং সহজে ও দ্রুতভাবে সকলের নিকট শিক্ষা সেবা পৌঁছে দিতে সক্ষম হবে। স্কুলের সর্বাঙ্গীন উন্নতিতে অকুষ্ঠ ও সক্রিয় ভূমিকা রাখার জন্য ম্যানেজিং কমিটিসহ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।